নতুন টেসলা রোডস্টার ঘিরে আলোচনা, গাড়ি কি এবার আকাশেও উড়বে ?
গাড়ি যদি শুধু রাস্তায় না চলে, বরং বিশেষ প্রযুক্তির সাহায্যে কিছু সময়ের জন্য বাতাসেও উঠতে পারে, তাহলে বিষয়টি কেমন হবে? টেসলার নতুন প্রজন্মের রোডস্টারকে ঘিরে এখন এমনই আলোচনা চলছে। গাড়িটির সঙ্গে মহাকাশ প্রযুক্তির সংযোগের ধারণা সামনে আসায় প্রযুক্তিপ্রেমীদের আগ্রহও বেড়েছে।
ইলন মাস্কের প্রতিষ্ঠান টেসলা দীর্ঘদিন ধরেই বৈদ্যুতিক গাড়ির গতি ও সক্ষমতা বাড়ানোর চেষ্টা করছে। নতুন রোডস্টারের আলোচনায় এবার যুক্ত হয়েছে বিশেষ থ্রাস্টার প্রযুক্তি, যা গাড়িটিকে সাময়িকভাবে বাতাসে তোলার সম্ভাবনার সঙ্গে সম্পর্কিত। তবে এ ধরনের প্রযুক্তির প্রদর্শনী আর বাস্তবে নিরাপদে ব্যবহার করা এক বিষয় নয়।
গাড়িটির গতি নিয়েও রয়েছে বড় প্রত্যাশা। টেসলার প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, রোডস্টার খুব অল্প সময়ে ঘণ্টায় ৬০ মাইল গতিতে পৌঁছাতে পারবে। সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় ২৩০ মাইলের বেশি হতে পারে বলেও দাবি করা হয়েছে। তবে এসব সক্ষমতা স্বাধীন পরীক্ষায় কতটা প্রমাণিত হবে, তা দেখার অপেক্ষা রয়েছে।
গাড়িটি বাজারে আসার সময় নিয়েও আগ্রহ রয়েছে। দ্বিতীয় প্রজন্মের রোডস্টার নিয়ে বহু বছর ধরেই আলোচনা চলছে। উৎপাদন শুরুর সময়সূচি বারবার পিছিয়েছে। তাই নতুন প্রযুক্তির পাশাপাশি গাড়িটি কবে নিয়মিত উৎপাদনে যাবে, সেটিও বড় প্রশ্ন।
রোডস্টার সত্যিই পরিবহনব্যবস্থায় পরিবর্তন আনবে কি না, তা এখনই বলা যাচ্ছে না। বিশেষ থ্রাস্টার ব্যবহার করে গাড়ি বাতাসে তোলার ধারণা বাস্তবে প্রয়োগ করতে হলে নিরাপত্তা, নিয়ন্ত্রণ, ব্যয় এবং সরকারি অনুমোদনের মতো বিষয় বিবেচনায় নিতে হবে।
তবে একটি বিষয় স্পষ্ট—বৈদ্যুতিক গাড়ির ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা এখন আর শুধু ব্যাটারি বা গতির মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। টেসলার এই প্রকল্প বাস্তবে কত দূর এগোয়, তার ওপরই নির্ভর করবে এটি গাড়ি প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন অধ্যায় হয়ে উঠতে পারবে কি না।